শিরোনাম

তদারকি আর মেরামতের অভাবে দিন দিন বেদখল হয়ে যাচ্ছে ঝিনাইদহের গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের স্থাপনাগুলো।

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: সেচ সুবিধা ও বন্যা নিয়ন্ত্রণসহ বহুমুখি উদ্দেশ্য নিয়ে ১৯৫৪ সালে গঙ্গা-কপোতাক্ষ (জিকে) প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু করে তৎকালীন ওয়াপদা। ১৯৬২ সালে এ প্রকল্পে প্রথম সেচ দিয়ে ধান চাষ শুরু হয়। প্রচলন হয় উচ্চফলনশীল ধানের আবাদ। এতে বেড়ে যায় উৎপাদন। আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন এ এলাকার কৃষকদের।

পরবর্তীতে ১৯৭০ ও ১৯৮২ সালে দু’দফায় ৭৩ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ব্যায়ে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কাজ শেষ হয়। কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় প্রকল্পের প্রধান সেচ পাম্প হাউজ নির্মাান করা হয়।

১৯৩ কিলোমিটার প্রধান সেচ খাল, ৪৬৭ কিলোমিটার শাখা সেচ খাল, ৮৯৫ কিলোমিটার উপ শাখা সেচ খাল ও ৯৭১ কিলোমিটার পানি নিষ্কাশন খাল খনন করা হয়। ১৯৮৩ সালে এ প্রকল্পের পূর্ণবাসনের কাজ শুরু হয়।

নির্মান করা হয় অফিস, বাসাবাড়ি, পানি নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো, সড়কসহ বিশাল স্থাপনা। এক’শ ৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৯৯৪ সালে পূর্ণ বাসন কাজ শেষ হয়। এরপর শুরু অফিস গুটানোর পালা। পরে থাকে কোটি কোটি টাকার স্থাপনা।

তদারকির অভাবে দিনের পর দিন নষ্ট হতে থাকে কাঠামো। বর্তমানে ভবন গুলোর শুধু অবকাঠামো খাড়া আছে। চুরি হয়ে যায় অফিসের জানাল, দরজা, সেচ খালের গেইট। সংকুচিত হয়ে যায় প্রাণ চাঞ্চল্যে ভরা এক কালের দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্পটি। যে কারণে সেচের পানি পাচ্ছে না এ এলাকার কৃষক।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা বলছেন, জনবলের অভাবে দেখভাল করতে পারছেন না তারা

(Visited 4 times, 1 visits today)

About The Author

Desk Report Staff Reporter

এই বিভাগের আরও সংবাদ

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *


অ্যাবাউটবিজ্ঞাপনযোগাযোগ শর্ত ও নিয়মাবলী