শিরোনাম

মুন্সীগঞ্জে চলছে আলুর বিশাল কর্মযজ্ঞ।

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায় যে, ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে মুন্সীগঞ্জে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়ে ছিল ৩৮ হাজার ৮০০ হেক্টর জমি। কিন্তু সেই অর্থ বছরে আলু আবাদ হয়ে ছিল ৩৮ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে। আর এর আলুর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়ে ছিল ১৩ লাখ ৫৯ হাজার ৮শ’ ৫৮ মেট্রিক টন। কিন্তু সেই অর্থ বছরে আলু উৎপাদন হয়ে ছিলো ১২ লাখ ৯৯ হাজার ৯শ’ ১২ মেট্রিক টন আলু। সেই অর্থ বছরে বৈরী আবহাওয়ায় কয়েকদিন টানা বৃষ্টির কারণে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ি আশানুরূপ আলু উৎপাদন হয়নি।

যেদিকে চোখ যায় সেদিকেই আলু রোপনের বিশাল কর্মযজ্ঞের মেলা দেখা যাবে, বিস্তীর্ণ জমিতে শুধু আলু রোপনের চিত্র সর্বত্র। জেলার প্রধান এই অর্থকারি ফসল আলু নিয়ে কৃষকের ব্যস্ততার যেন শেষ নেই। আলু ভিত্তিক অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে কৃষক মাথার ঘাম পায়ে ফেলে মাঠে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রায় অর্ধলক্ষাধিক চাষি আলু চাষের সঙ্গে জড়িত। গত দুবারের লোকসান অনেক আলু কৃষকের সর্বস্বান্ত করে দিলেও তারা আবারো নতুন মৌসুমের শুরুতে নতুন স্বপ্ন নিয়ে আলু চাষ করছেন।

জমি, বীজ ও সার ব্যবহারে খরচের মাত্রটা গতবছরের তুলনা এবার একটু বেশি। যার কারণে আলু আবাদে খরচও বেড়ে গেছে অনেকটা।

অন্যকোনো ফসল উৎপাদন করতে না পারায় আলুচাষই করে যাচ্ছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা।

গত দুই বছরে লোকসানও হয়েছে। তবে সরকারিভাবে আলু কিনে বা আলুতে ভর্তুকি দিলে লোকসানের ঘানি টানতে হতো না

মুন্সীগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায় যে, ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে মুন্সীগঞ্জে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৮ হাজার ৮০০ হেক্টর জমি। আর এর বিপরিতে আলু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ লাখ ৯৯ হাজার ৯শ’ ১২ মেট্রিক টন আলু।

সব প্রতিকূলতা ছাপিয়ে আলুর আবাদের পরে ৩ মাস পরে আলু উত্তোলনের ন্যায্য মূল্যসহ বিদেশে রপ্তানী, পরিবহন ব্যবস্থা ও হিমাগারে সংরক্ষণে সুযোগ পাবে আলু উৎপাদানের সর্ববৃহত জেলা মুন্সীগঞ্জের প্রকৃত কৃষক, এই প্রত্যাশা সকলের।

(Visited 77 times, 1 visits today)

About The Author

Desk Report Staff Reporter

এই বিভাগের আরও সংবাদ

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *


অ্যাবাউটবিজ্ঞাপনযোগাযোগ শর্ত ও নিয়মাবলী