Monthly archive

January 2018

বরাদ্দ কমানোর ঘোষণায় যুক্তরাষ্ট্র

অথোর- টপিক- আন্তর্জাতিক চালচিত্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যে কথা সে কাজ। দেরি সয়নি  ট্রাম্পের। আগামী অর্থবছরে জাতিসংঘের তহবিলে সাড়ে ২৮ কোটি ডলার বরাদ্দ কমানোর ঘোষণা দিয়ে ফেলেছেন। গত বছর ২৪ ডিসেম্বর রোববার শেষ রাতের দিকে জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের দূত নিকি হ্যালি এই ঘোষণা দিয়েছেন। জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতি প্রত্যাখ্যান করে জাতিসংঘে প্রস্তাব পাস হওয়ার পরই বরাদ্দ কমানোর ঘোষণা এলো। এক বিবৃতিতে নিকি হ্যালি বলেন, জাতিসংঘের অদক্ষতা ও অতিরিক্ত ব্যয়ের কথা সবাই জানে। আমেরিকার জনগণের অর্থ কোনো জবাবদিহি ছাড়া ব্যয়ের কোনো সুবিধা আর আমরা রাখতে চাই না।

কিপ রিডিং…

দূতাবাস সরাতে প্ররোচনা ইসরায়েলের

অথোর- টপিক- আন্তর্জাতিক চালচিত্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও গুয়াতেমালার পথ অনুসরণ করে অন্য দেশগুলোর দূতাবাসও জোরুজালেমে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা পেতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে ইসরায়েল। এ লক্ষ্যে অন্তত দশটি দেশের আলোচনা চালাচ্ছে তারা। গত বছর ২৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবার ইসরায়েলের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী টজিপি হোটোভেলি এ কথা বলেন। এদিকে ফিলিস্তিনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জেরুজালেম ঘোষণার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে। ট্রাম্পকে চাপ দিতে জর্ডানের বাদশার সঙ্গে কথা বলেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট। গত বছর ২৫ ডিসেম্বর সোমবার রাতে এক অভিযানে পশ্চিমতীর থেকে ইসরায়েলি বাহিনী অন্তত ৩০ ফিলিস্তিনিকে আটক করে। খবর আলজাজিরা, আনাদোলু ও টাইমস অব ইসরায়েলের।

কিপ রিডিং…

ভোজ্যতেল রপ্তানি করতে চায় বাংলাদেশ

অথোর- টপিক- বাণিজ্য সংবাদ

দেশের ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিবেশী তিনটি দেশে পরিশোধিত ভোজ্যতেল রপ্তানি করতে চায়। বিশেষ করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে ভোজ্যতেল রপ্তানির সম্ভাবনা দেখছে তারা। কোম্পানিগুলো বলছে, ভারত সরকার সম্প্রতি ভোজ্যতেল আমদানিতে কর বাড়িয়েছে। কিন্তু ওই দেশে শুল্কমুক্তভাবে তেল রপ্তানির সুযোগ থাকায় মূল্য প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকবে বাংলাদেশি কোম্পানিগুলো।

কিপ রিডিং…

প্রতিটি জেলায় বিএসটিআই

অথোর- টপিক- বাণিজ্য সংবাদ

মানসম্মত পণ্য ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রতিটি জেলায় বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) কার্যালয় চালুর উদ্যোগ নিতে নির্দেশনা দিয়েছেন শিল্প সচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, শুধু কয়েকটি চিহ্নিত জেলায় কার্যালয় সম্প্রসারণ না করে দেশের সব জেলা ও আঞ্চলিক পর্যায়ে বিএসটিআইয়ের কার্যালয় থাকতে হবে। এ লক্ষ্যে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে একটি আদর্শ জনবল কাঠামোর প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশনা দেন তিনি।

কিপ রিডিং…

ব্যাংক খাতে রাজনীতির ফল

অথোর- টপিক- বাণিজ্য সংবাদ

২০১৭ সালে ব্যাংক খাত ছিল কেলেঙ্কারির বছর। ব্যাংক দখল থেকে শুরু করে গ্রাহকের আমানত ফিরে না পাওয়া, সবই ঘটেছে বছরটিতে। এসব নিয়ে বলেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠার চার বছরের মধ্যে গ্রাহকদের বিশ্বাসে চিড় ধরাল ফারমার্স ব্যাংক। গ্রাহকের আমানত ফেরত দিতে পারছে না ব্যাংকটি। একই সময়ে যাত্রা করা এনআরবি কমার্শিয়ালের অবস্থাও খারাপ। নতুন ব্যাংকের এই অবস্থা হলো কেনো?

কিপ রিডিং…

জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকিতে

অথোর- টপিক- সাম্প্রতিক

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে পাহাড় কেটে, বন ধ্বংস করে একের পর এক রোহিঙ্গা শিবির গড়ে তোলা হচ্ছে। যে এলাকায় এই শিবিরগুলো গড়ে উঠেছে, সেখানে ছিল বন্য প্রাণীদের বসতি। রোহিঙ্গা শিবিরগুলো ওই এলাকার জীববৈচিত্র্যকে মারাত্মক হুমকির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বন বিভাগ থেকে শুরু করে জীববৈচিত্র্য বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও রোহিঙ্গা শিবিরের কারণে বন ধ্বংসের কথা বিভিন্ন সময় জানিয়েছে। তাদের পর্যবেক্ষণেও জীববৈচিত্র্য হুমকির চিত্র নানাভাবে উঠে এসেছে। সর্বশেষ কক্সবাজার জেলায় রোহিঙ্গা শিবির স্থাপন নিয়ে জাতিসংঘ উন্নয়ন তহবিলের (ইউএনডিপি) ‘দ্রুত পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন’ বলছে, রোহিঙ্গা শিবিরগুলো দেশের জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বসতি গড়ে ওঠার বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে সেখানে কিছু প্রাণী ও উদ্ভিদের আবাসভূমি চিরতরে হারিয়ে যাবে। বন আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যাবে না। আর ভূমির ক্ষতিও অল্প সময়ে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে না। এই পরিস্থিতিতে শুধু বাংলাদেশ নয়, রোহিঙ্গা শিবিরগুলো বৈশ্বিক জীববৈচিত্র্যের জন্যও এখন বড় হুমকি। ইউএনডিপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গাদের শিবিরগুলো প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন স্বীকৃত তিনটি এলাকার প্রকৃতি ধ্বংস করছে। এগুলো হচ্ছে টেকনাফ উপদ্বীপের উপকূল এলাকা, সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ও সোনাদিয়া দ্বীপ। এ ছাড়া শিবিরগুলোর কাছে আছে দুটি সংরক্ষিত এলাকা, হিমছড়ি ন্যাশনাল পার্ক ও টেকনাফ অভয়ারণ্য। প্রস্তাবিত ন্যাশনাল পার্কও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। সব মিলিয়ে গোটা এলাকায় ১ হাজার ১৫৬ প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণী আছে। গুরুত্বপূর্ণ বন্য প্রাণীর তালিকায় আছে হাতি, হরিণ, ছোট ভারতীয় বনবিড়াল, বড় ভারতীয় বনবিড়াল ও বন্য শুকর। এর মধ্যে হাতি খুব বিপন্ন এবং হরিণ বিপন্ন পরিস্থিতিতে আছে। দুই প্রজাতির বিড়াল প্রায় ঝুঁকিতে। বন্য শুকর নিয়ে উদ্বেগ কম। জাতিসংঘের এই সংস্থা বন, ভূমি, পানি, প্রাণ প্রজাতি, মানুষের স্বাস্থ্য- এসব বিষয়ে ২৮টি উচ্চ ঝুঁকি চিহ্নিত ও পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য ৫৪টি সুপারিশ করেছে। সম্প্রতি ইউএনডিপি মূল্যায়ন প্রতিবেদনটি পর্যালোচনার জন্য পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারকে পর্যাপ্ত সম্পদের নিশ্চয়তা বিধান করতে হবে, যেন রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শেষ হলে ধ্বংস হওয়া পরিবেশ আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায়।

কিপ রিডিং…

সময়ের অপেক্ষায় বিএনপি

অথোর- টপিক- রাজনীতি

নিজেস্ব প্রতিবেদন: সরকার যত কঠোর অবস্থান নিক বা উসকানিমূলক কথা বলুক, আপাতত ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার কৌশল নিয়েছে বিএনপি। দলটি মনে করছে, নির্বাচনের এক বছর আগে হঠকারিতা করা যাবে না বা ভুল কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। সিদ্ধান্ত নিতে হবে ভেবে-চিন্তে। বিএনপির হিসাবে, সরকারকে চাপে ফেলতে আন্দোলনের যদি প্রয়োজন হয়ও তার জন্য তাদের মেয়াদের শেষ ছয় মাস হবে উপযুক্ত সময়; এর আগে আন্দোলনে গেলে কোনো সফলতা পাওয়া যাবে না। রয়েছে লোকবল ক্ষয়েরও আশঙ্কা। বিএনপির নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে কথা বলে দলটির এ অবস্থানের কথা জানা যায়।

কিপ রিডিং…

নির্বাচনে সাদাসাদি করবে না আওয়ামী লীগ

অথোর- টপিক- রাজনীতি

নিজেস্ব প্রতিবেদন: আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তেমন কোনো উদ্যোগ নেওয়ার কথা ভাবছে না ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। বরং বিগত সংসদ নির্বাচনের আগে ও পরে বিএনপি যেমন সহিংস আন্দোলন কর্মসূচি দিয়েছিল, এবার সেই চেষ্টা করলে তা কঠোরভাবে দমনের নীতি নেবে সরকার। গতবার নির্বাচনকালীন সরকারে অংশ নেওয়ার জন্য বিএনপিকে যতটা সুবিধাজনক প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, এবার সে রকম কিছুর কথা ভাবছেন না আওয়ামী লীগ ও সরকারের নীতিনির্ধারকরা। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কয়েকজন নেতা এমনটা জানিয়েছেন।

কিপ রিডিং…

ষোড়শ সংশোধনী বহাল চেয়ে রিভিউ আবেদন

অথোর- টপিক- দেশ সংবাদ

নিজেস্ব প্রতিবেদন: বহুল আলোচিত সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে আপিল বিভাগের দেওয়া রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) জন্য সর্বোচ্চ আদালতে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। গত বছর ২৪ শে নভেম্বর রোববার অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় থেকে সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় ৯০৮ পৃষ্ঠার রিভিউ আবেদন জমা দেওয়া হয়। অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের জানান, আবেদনে রায় পুনর্বিবেচনার জন্য রাষ্ট্রপক্ষের ৯৪টি সুনির্দিষ্ট যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। এসব যুক্তির ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করে আপিল বিভাগের দেওয়া পুরো রায় বাতিল চাওয়া হয়েছে, যাতে ষোড়শ সংশোধনী  বহাল থাকে।

কিপ রিডিং…

মাদক নিয়ন্ত্রণই প্রধান প্রতিকার

অথোর- টপিক- প্রচ্ছদ প্রতিবেদন

‘মাদক’ এখন বাংলাদেশের জাতীয় জীবনের সমস্যাগুলোর অন্যতম একটি সমস্যা। মাদকাসক্ত সমাজ জাতির পঙ্গুত্ব বরণের অন্যতম কারণ। মাদক দ্রব্য হলো একটি ভেষজ দ্রব্য যা ব্যবহারে বা প্রয়োগে মানবদেহে মস্তিস্কজাত সংজ্ঞাবহ সংবেদন হ্রাসপায় এবং বেদনাবোধ কমায় বা বন্ধ করে। মাদক দ্রব্যে বেদনানাশক ক্রিয়ার সাথে যুক্ত থাকে তন্দ্রাচ্ছন্নতা, আনন্দোচ্ছাস, মেজাজ পরিবর্তন, মানসিক আচ্ছন্নতা, শ্বাস প্রশ্বাস অবনমন, রক্তচাপ হ্রাস, বমনেচ্ছা ও বমি, কোষ্টবদ্ধতা ও মূত্ররাস দেখা দেয়। মাদক দ্রব্যকে সহজভাবে বলা যায় যা গ্রহণে মানুষের স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক অবস্থার উপর প্রভাব পড়ে এবং যে দ্রব্য আসক্তি সৃষ্টি করে, তাই মাদকদ্রব্য। মাদকাসক্তি হলো মানুষের এমন একটি অবস্থা যা ব্যবহারে মানুষ অভ্যস্থ হয়ে পড়ে এবং নির্দিষ্ট সময় অন্তর মাদক গ্রহণের অভ্যস্থ হওয়াই মাদকাসক্ত। মাদকাসক্ত আক্রান্ত যে কেউ হঠাৎ মাদক গ্রহণ করতে না দিলে নানান ধরণের উপসর্গ দেখা দেয়। মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে সাধারণত ১৫ থেকে ৩৫ বছরের বয়সের মানুষ, যার হার ৭০ ভাগ। অন্যদিকে মাদক গ্রহণের গড় বয়স ২২ বছর। একটি পরিবারের দ্বায়িত্ব হলো মাদকাসক্ত ব্যক্তির আচরণ, অভ্যাস এবং জীবন চলাচলনে ধরন জানা। তাহলে তার পরিবারের কেউ মাদকাসক্ত হলে বা সে পথে পা বাড়লে সহজেই বুঝতে পারবে। যেমন- হঠাৎ নতুন বন্ধুদের সাথে চলাফেরা শুরু করা। বিভিন্ন অজুহতে ঘনঘন টাকা চাওয়া। আগের তুলনায় দেরিতে বাড়ি ফেরা। রাতে জেগে থাকা এবং দিনে ঘুমের প্রবণতা বৃদ্ধি করা। ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার পর অস্বাভাবিক আচরণ করা। খাওয়া-দাওয়া কমিয়ে দেয়া এবং ওজন কমে যাওয়া। অতিরিক্ত মাত্রায় মিষ্টি খেতে আরাম্ভ করা এবং ঘনঘন চা, সিগারেট পান করা। অযথা টয়লেটে দীর্ঘ সময় ব্যয় করা। ঘনঘন পাতলা পায়খানা হওয়া। প্রচুর ঘুম হওয়া, অস্থিরতা এবং অস্বস্তি বোধ করা। যৌন ক্রিয়ায় অনীহা এবং যৌন ক্ষমতা হ্রাস পাওয়া। মিথ্যে কথা বলার প্রবণতা। পরিবারের সদস্যদের সাথে মনোমালিন্য। অকারণে বিরক্ত বোধ করা। হঠাৎ মনমানসিকতা বিবর্তন দেখা দেয়া। ঘরে তামাকের বা সিগারেটের টুকরো পড়ে থাকা। প্লাস্টিকের বা কাঁচের বোতল, কাগজের পুরিয়া, ইনজেকশন, খালি শিশি, পোড়ানো দিয়াশালাই এর কাঠিসহ নানাবিধ অস্বাভাবিক জিনিস বৃদ্ধি পাওয়া। লেখাপড়া, খোলাধুলো, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অনীহা। কাপড় চোপড়ে দুর্গন্ধ বৃদ্ধি পাওয়া ও পোড়া দাগ থাকা। ইত্যাদি একাধিক বিষয়ে পরিলক্ষিত ব্যক্তি মাদকাসক্ত তা নিশ্চিতভাবেই সন্দেহ করা যায়।

কিপ রিডিং…

গো টু টপ