দ্য সুলতান

প্রচ্ছদ প্রতিবেদন

মহা নায়কের শ্রেষ্ঠ কাব্য

আজ থেকে ৪৭ বছর আগে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ ভাষণটি দিয়েছিলেন। ১০ লক্ষাধিক লোকের সামনে পাকিস্তানি দস্যুদের কামান-বন্দুক-মেশিনগানের হুমকির মুখে শেখ মুজিব ওই দিন বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন- ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

কিপ রিডিং…

মাদক নিয়ন্ত্রণই প্রধান প্রতিকার

‘মাদক’ এখন বাংলাদেশের জাতীয় জীবনের সমস্যাগুলোর অন্যতম একটি সমস্যা। মাদকাসক্ত সমাজ জাতির পঙ্গুত্ব বরণের অন্যতম কারণ। মাদক দ্রব্য হলো একটি ভেষজ দ্রব্য যা ব্যবহারে বা প্রয়োগে মানবদেহে মস্তিস্কজাত সংজ্ঞাবহ সংবেদন হ্রাসপায় এবং বেদনাবোধ কমায় বা বন্ধ করে। মাদক দ্রব্যে বেদনানাশক ক্রিয়ার সাথে যুক্ত থাকে তন্দ্রাচ্ছন্নতা, আনন্দোচ্ছাস, মেজাজ পরিবর্তন, মানসিক আচ্ছন্নতা, শ্বাস প্রশ্বাস অবনমন, রক্তচাপ হ্রাস, বমনেচ্ছা ও বমি, কোষ্টবদ্ধতা ও মূত্ররাস দেখা দেয়। মাদক দ্রব্যকে সহজভাবে বলা যায় যা গ্রহণে মানুষের স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক অবস্থার উপর প্রভাব পড়ে এবং যে দ্রব্য আসক্তি সৃষ্টি করে, তাই মাদকদ্রব্য। মাদকাসক্তি হলো মানুষের এমন একটি অবস্থা যা ব্যবহারে মানুষ অভ্যস্থ হয়ে পড়ে এবং নির্দিষ্ট সময় অন্তর মাদক গ্রহণের অভ্যস্থ হওয়াই মাদকাসক্ত। মাদকাসক্ত আক্রান্ত যে কেউ হঠাৎ মাদক গ্রহণ করতে না দিলে নানান ধরণের উপসর্গ দেখা দেয়। মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে সাধারণত ১৫ থেকে ৩৫ বছরের বয়সের মানুষ, যার হার ৭০ ভাগ। অন্যদিকে মাদক গ্রহণের গড় বয়স ২২ বছর। একটি পরিবারের দ্বায়িত্ব হলো মাদকাসক্ত ব্যক্তির আচরণ, অভ্যাস এবং জীবন চলাচলনে ধরন জানা। তাহলে তার পরিবারের কেউ মাদকাসক্ত হলে বা সে পথে পা বাড়লে সহজেই বুঝতে পারবে। যেমন- হঠাৎ নতুন বন্ধুদের সাথে চলাফেরা শুরু করা। বিভিন্ন অজুহতে ঘনঘন টাকা চাওয়া। আগের তুলনায় দেরিতে বাড়ি ফেরা। রাতে জেগে থাকা এবং দিনে ঘুমের প্রবণতা বৃদ্ধি করা। ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার পর অস্বাভাবিক আচরণ করা। খাওয়া-দাওয়া কমিয়ে দেয়া এবং ওজন কমে যাওয়া। অতিরিক্ত মাত্রায় মিষ্টি খেতে আরাম্ভ করা এবং ঘনঘন চা, সিগারেট পান করা। অযথা টয়লেটে দীর্ঘ সময় ব্যয় করা। ঘনঘন পাতলা পায়খানা হওয়া। প্রচুর ঘুম হওয়া, অস্থিরতা এবং অস্বস্তি বোধ করা। যৌন ক্রিয়ায় অনীহা এবং যৌন ক্ষমতা হ্রাস পাওয়া। মিথ্যে কথা বলার প্রবণতা। পরিবারের সদস্যদের সাথে মনোমালিন্য। অকারণে বিরক্ত বোধ করা। হঠাৎ মনমানসিকতা বিবর্তন দেখা দেয়া। ঘরে তামাকের বা সিগারেটের টুকরো পড়ে থাকা। প্লাস্টিকের বা কাঁচের বোতল, কাগজের পুরিয়া, ইনজেকশন, খালি শিশি, পোড়ানো দিয়াশালাই এর কাঠিসহ নানাবিধ অস্বাভাবিক জিনিস বৃদ্ধি পাওয়া। লেখাপড়া, খোলাধুলো, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অনীহা। কাপড় চোপড়ে দুর্গন্ধ বৃদ্ধি পাওয়া ও পোড়া দাগ থাকা। ইত্যাদি একাধিক বিষয়ে পরিলক্ষিত ব্যক্তি মাদকাসক্ত তা নিশ্চিতভাবেই সন্দেহ করা যায়।

কিপ রিডিং…

গো টু টপ