খেলাধুলা: এ যে দম বন্ধ হওয়া এক ম্যাচ। শেষ ১২ বলের রোমাঞ্চ রক্তের চাপ এতটাই বাড়িয়ে দিয়েছিল যে, সবাইকে থমকে যেতে হয়। প্রেসবক্সের সাংবাদিকরা পারলে মাঠে গিয়ে ফিল্ডিং করে দেন। মুস্তাফিজের অমন জাদুকরী ওভারের পরও শরীরের কাঁপন থামছিল না। শেখ মেহেদী শেষ ওভারটা শেষ না করা পর্যন্ত নির্গত নিঃশ্বাসে বাধা পড়ছিল। টি২০ ম্যাচের এক ওভারে ২২ রান তো নিয়মিতই হয়। কে বলতে পারে অস্ট্রেলিয়া ২২ রান করে ফেলবে না! এই শঙ্কার শিহরণ জাগানো ভয় থেকে মুক্তি দেন মেহেদী। রোমাঞ্চকর জয়ের ম্যাচের নায়ক কিন্তু অন্যজন। তিনি কাটার মাস্টার মুস্তাফিজ। ১৯তম ওভারে এক রান দিয়ে জয় একপ্রকার নিশ্চিত করে দেন তিনি। সেটার আনুষ্ঠানিকতা দিতে হতো মেহেদীকে। নিখুঁত না হলেও নিজের কাজটি ঠিকঠাক করে সিরিজের ক্যানভাসে বিজয় এঁকে দেন তিনি। টান টান উত্তেজনায় ১০ রানে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলাদেশ। তিনে তিন জয়ে সিরিজ নিশ্চিত করে টি২০ ক্রিকেটে অসি-বধের নতুন ইতিহাস লেখা হলো মিরপুরে।

দেশের ক্রিকেটের এমন সাফল্যের উদযাপন বাঁধভাঙা হতে পারত দর্শক থাকলে। ক্রিকেটারদের সে খুশি কেড়ে নিয়েছে করোনা। এর পরও সীমিত পরিসরে সিরিজ জয় উদযাপন করলেন ১১ জন এক জায়গায় জড়ো হয়ে, একজন অন্যজনের কাঁধে হাত রেখে লাফিয়ে ঝাঁপিয়ে। ড্রেসিংরুমে ফিরে হয়তো আরও উচ্ছ্বাস দেখিয়েছেন।

টাইগারদের এই সাফল্যে খুশি জাতি। স্বাভাবিকভাবেই ক্রিকেটাররা অভিনন্দন বার্তায় ভাসছেন। রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল অভিনন্দন জানিয়েছেন বিজয়ী দলকে। টি২০ ক্রিকেটে সব মিলিয়ে পঞ্চম, দেশের মাটিতে দ্বিতীয় সিরিজ জয় টাইগারদের।

সূত্র: টি স্পোর্ট/সমকাল

আরও সংবাদ

Write a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *