Admin
প্রকাশ : 1 সপ্তাহ আগে
আপডেট : 1 সপ্তাহ আগে
বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে এভসেক, বাইরে এপিবিএন এবং চোরাচালান প্রতিরোধে কাস্টমস প্রিভেনটিভ, কাস্টমস ইন্টিলিজেন্সসহ অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা বরাবরের মতো তাদের দায়িত্ব পালন করবেন।
বিমান বন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন কামরুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদে ছুটির সময় বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় কোনও ঘাটতি থাকবে না। বরং আমরা এ সময় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ রাখবো।’
তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, এভসেক, এয়ার ফোর্স ও বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের সহযোগিতায় যাত্রীসহ পুরো বিমানবন্দরের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।’
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রায় এক হাজার এপিবিএন সদস্য শিফট অনুযায়ী দায়িত্বপালন করবেন। প্রতিবারের ন্যায় এবারও গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনাকে ঘিরে বিশেষ পরিকল্পনাও নিয়েছেন এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশের কর্মকর্তারা। ঈদের ছুটিকে ঘিরে কোনোভাবেই যেন নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়- সে বিষয়টিকে মাথায় রেখে নেওয়া হয়েছে নিরাপত্তা পরিকল্পনা। ছুটিতে না যাওয়া সদস্যরা বাড়তি ডিউটি পালন করবেন।
বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার রাকিবুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের এখানকার যা জনবল, তার ২০ শতাংশকে ছুটি দেওয়া হয়েছে। সেই হিসাবে প্রায় এক হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।’
ঈদের ছুটিতে যাত্রীবেশে কেউ যেন চোরাচালান পণ্য আনতে না পারে বা ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে পণ্য বাইরে না নিতে পারে, সেজন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউজ।
ঢাকা কাস্টমস হাউজের কমিশনার জাকির হোসেন বলেন, ‘আমরা পরিকল্পনা করে ইতোমধ্যে সেটি বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছি। ছুটির কারণে চোরাকারবারীরা যেন কোনোভাবেই অবৈধ পণ্য আনতে না পারে, সে ব্যাপারে বাড়তি নজরদারি করা হবে। শুল্ক ফাঁকি দিয়েও পণ্য কেউ যেন বাইরে না নিতে পারে, তার জন্যও আমরা সতর্ক থাকবো।’
তিনি বলেন, ‘প্রিভেনটিভ টিমেরসহ প্রতি শিফটে ৩৫ জনের বেশি জনবল কাজ করবেন।’
শুল্ক গোয়েন্দার নাম প্রকাশ না করা শর্তে এক কর্মকর্তা বলেন, শিফট অনুযায়ী শুল্ক গোয়েন্দা সদস্য থেকে শুরু করে কর্মকর্তারা কাজ করবেন। চোরাচালান পণ্য বিশেষ করে ঈদের ছুটিতে যেন কেউ স্বর্ণ পাচার করতে না পারে, সেজন্য জন্য আমাদের সার্বক্ষণিক নজরদারী থাকবে।