তানজির ইসলাম রানা, ডেস্ক রিপোর্ট: আঠারো শতকের শুরুর দিকে মিসর থেকে পোল্যান্ডে আনা হয়েছিল প্রাচীন এই মমি। পোলিশ বিজ্ঞানীরা ‘ওয়ারশো মমি প্রকল্প’ নিয়ে এখন কাজ করছেন।
নৃবিজ্ঞানী ও প্রত্নতত্ত্ববিদ মারজেনা ওজারেক-সিজিলকি বলেন, আমার স্বামী স্ট্যানিসল ও আমি মমিটির এক্স-রে ছবি বিশ্লেষণ করে দেখলাম যে, এই নারী সন্তানসম্ভাবা ছিলেন। এই নারীর বয়স ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হবে। তিনি ২৬ থেকে ৩০ সপ্তাহের সন্তানসম্ভাবা ছিলেন। মমিটি বিশদ বিশ্লেষণ করে একটি পরিপূর্ণ ভ্রূণ দেখা গেছে।
পোলিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সের ওজসিয়াক ইজমন্ড বলেন, মমি করার সময় কেন এই ভ্রূণ পেটের বাইরে নিয়ে আসা হয়নি, আমরা তা বলতে পারছি না। তবে এই ভ্রূণের কারণেই মমিটি অনন্য। এমন দ্বিতীয় কোনো ঘটনা আসলে আমাদের সামনে নেই।
মারজেনা ওজারেক-সিজিলকি বলেন, গর্ভাবস্থা নিয়ে ধূম্রজাল কাটিয়ে ওঠার একটি চেষ্টা রয়েছে। সম্ভবত এর সঙ্গে পুনর্জীবন সংক্রান্ত বিশ্বাসের কোনো গুরুত্ব আছে।
পাথরের কফিন সারকোফাগাসে হায়ারোগ্লিফসের লেখা বিশ্লেষণ করে প্রথমে মমিটিকে কোনো পুরুষ যাজকের বলে ধরে নেওয়া হয়েছিল। পরে দেখা যায়, এটি কোনো গর্ভবর্তী নারীর। এটির স্ক্যান কপিতে দেখা যায়, ওই নারীর হাঁটু পর্যন্ত লম্বা কোঁকড়ানো চুল ছিল।
সুত্র: সময় নিউজ/সিবিএস নিউজ/ন্যাশনাল জিওগ্রাফী

আরও সংবাদ

Write a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *